নামক
ইন্দ্রপ্রস্থ নামক-১
---পীযূষকান্তি বিশ্বাস
সেই সব দুপুর নামক নীড়,
সেইসব ভালোবাসা নামক বাকুম
আকাশচুম্বীতে বিলীন হয়ে যাওয়া সুলতানাত
একে অদ্বিতীয়ম জুড়ে অনন্ত খন্ডহর
মনুষ্যসন্ধিক্ষণে মিথের মতন
স্নানরতা রাজকন্যার তুলতুল শোনা যায় ।
দূরআকাশ অট্টালিকার কাছে
ধুলিময়তার ধ্বনি
এ হেন প্রবাহে আত্মসমর্পণ করেছে প্রচ্ছন্ন রূপকথা ।
সেইমতো অভিমুখ,
সেইসব গুটরগু,
সেই অনুরাগ নিয়ে আজকের চট্টান বিহানমালা
সমস্ত যুদ্ধধ্বনিকে ছাপিয়ে বিছিয়ে দিয়েছে সাহাজানাবাদ
আমি তার গাঁ থেকে ঝুলেপড়া ঝাঁটিবাবলা দেখি
মঙ্গার মানে এক অপরূপ ইতিহাসকন্যা
একটা পূর্ণ নিঃশ্বাস নিয়ে পাঠ্য
পড়বো মগ্নতায় কোনদিন
তার কাব্যমুহূর্ত থেকে এই সামান্য অবসর চেয়ে রাখি ।
---------
ইন্দ্রপ্রস্থ নামক-২
---পীযূষকান্তি বিশ্বাস
ভালো নামক এক বাসা,
ভাষা নামক সে এক দূর বাউল
সামান্য ধ্বনি নিয়ে আর কত দূর যাবো হে পৃথ্বীরাজ
খোয়াজা মেরে খোয়াজা
ঘুম পরীরা উড়ে গেলো নিজামউদ্দিন
এই মর্মর শহর এক ফুলে ওঠা বাকম
ব্যালকনি থেকে ব্যালকনি কেঁদে কেঁদে ফেরা
এই স্বপ্নসবুজে প্রতিনিয়ত একটা দেওয়াল খুঁজে ফেরা ।
ফুরানো মানে কখনোই সীমানা ছিলো না
আর তুমি যেখানে আকাশ দেখতে চেয়েছিলে
পূর্ণ নিঃশ্বাস ভরে উড়ান ভরেছে প্রচ্ছন্ন পায়রারা !
উড়ানখাটোলাকে চেনো ? পাখি নামক এই জন্ম ।
চিনে উঠো তার বিলুপ্ত জানালা ।
রাজধানীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে চুপ হয়ে গেছে কবুতর
গলিগলি মহল্লাময়
হল্লা নামের দৌড়পৃথিবী
মেহরোলি মিনার থেকে ভেঙ্গে পড়ছে পাথর
অনন্ত ঘুমে লাট, লালমাটি সুলতানের চোখে কখন জানি
সুজনকালো সুরমা ভিজে আসে ।