গৌতম নামের এক কবিকে উৎসর্গ করে
গৌতম
নামের এক কবিকে উৎসর্গ করে
সেই সব দুপুর নামক ভালোবাসাবাসি নীড় নামের বাসাগুলির ভিতর স্মৃতিগুলি এই উন্মুক্ত ব্যালকনিতে হাহুতাশ করে । দূরআকাশ অট্টালিকার কাছে বিষণ্ণ বিকেলের এক আত্মসমর্পণের রূপকথা । সেইসব গুটর-গু, সেই অনুরাগ নিয়ে আজকের এই বসন্তরাগ, গলিপথে নিথর ও বধির । এই বিকেল বুঝি একলা হতে চায় মনুষ্যসন্ধিকোন থেকে । আমি তার কাব্যমুহূর্ত থেকে আজ অনন্ত অবসরটুকু চেয়ে রাখি । মধু মালতীর প্রশাখা কোন অনুযোগ রাখেনি তবু স্বপ্নের সবুজে এই প্রাণ নামের প্রতিস্পর্শ একটা দেওয়াল খুঁজে ফেরে । আর একটি মুহূর্তের আকাঙ্ক্ষায় পাখি নামের যাপন এই ডালপালার, আবর্জনা নামের নীড়ে ডিম পেড়ে গেছে । যে জীবন কোন কবুতর , চড়ুইয়ের, আর মানুষের সঙ্গে অন্তরঙ্গতা চায় না । এই মহেন্দ্রক্ষনে ঘুমের অনন্ত প্রতীক্ষা নিয়ে নিস্তাপ বিকেল ফুরিয়ে আসে । তুমি জানো, ফুরানো তো একটা যাত্রার অভিযোজন আর একটি ছুঁয়ে যাওয়ার সন্ধিক্ষণের অভিলাষ । অনন্ত ঘুমের গণনার হিসাব নিয়ে যে বিকেল মুছে যাবে বসন্ত সমীরণে, আর গভীর রাত নিয়ে তার মোহনরূপ দর্শনে উন্মুক্ত চাঁদনী নিয়ে ফিরে আসবে । আমায় বিদ্ধ করে এই চলে যাওয়া, সন্ধিক্ষণের উদাস সুরমুর্ছনা , আমি জেগে থাকি সেই ঘোরের ভিতর । কোন বাউল এই পথে বাজাবে না তার একতারাটি, এই বসন্ত নির্জন গলির মুখে হেঁকে যাওয়া সব্জীবালার আর্ত চিৎকার গুঞ্জিত হতে থাকে । হে সুনেহেরা জ্যোৎস্নাময়ী রাত , একবার দ্যাখো প্রকৃত সন্ধ্যার আগেই কারা যেন গলিপথে ঢলে পড়ে মৃত্যুর কবলে ।
সেই সব দুপুর নামক ভালোবাসাবাসি নীড় নামের বাসাগুলির ভিতর স্মৃতিগুলি এই উন্মুক্ত ব্যালকনিতে হাহুতাশ করে । দূরআকাশ অট্টালিকার কাছে বিষণ্ণ বিকেলের এক আত্মসমর্পণের রূপকথা । সেইসব গুটর-গু, সেই অনুরাগ নিয়ে আজকের এই বসন্তরাগ, গলিপথে নিথর ও বধির । এই বিকেল বুঝি একলা হতে চায় মনুষ্যসন্ধিকোন থেকে । আমি তার কাব্যমুহূর্ত থেকে আজ অনন্ত অবসরটুকু চেয়ে রাখি । মধু মালতীর প্রশাখা কোন অনুযোগ রাখেনি তবু স্বপ্নের সবুজে এই প্রাণ নামের প্রতিস্পর্শ একটা দেওয়াল খুঁজে ফেরে । আর একটি মুহূর্তের আকাঙ্ক্ষায় পাখি নামের যাপন এই ডালপালার, আবর্জনা নামের নীড়ে ডিম পেড়ে গেছে । যে জীবন কোন কবুতর , চড়ুইয়ের, আর মানুষের সঙ্গে অন্তরঙ্গতা চায় না । এই মহেন্দ্রক্ষনে ঘুমের অনন্ত প্রতীক্ষা নিয়ে নিস্তাপ বিকেল ফুরিয়ে আসে । তুমি জানো, ফুরানো তো একটা যাত্রার অভিযোজন আর একটি ছুঁয়ে যাওয়ার সন্ধিক্ষণের অভিলাষ । অনন্ত ঘুমের গণনার হিসাব নিয়ে যে বিকেল মুছে যাবে বসন্ত সমীরণে, আর গভীর রাত নিয়ে তার মোহনরূপ দর্শনে উন্মুক্ত চাঁদনী নিয়ে ফিরে আসবে । আমায় বিদ্ধ করে এই চলে যাওয়া, সন্ধিক্ষণের উদাস সুরমুর্ছনা , আমি জেগে থাকি সেই ঘোরের ভিতর । কোন বাউল এই পথে বাজাবে না তার একতারাটি, এই বসন্ত নির্জন গলির মুখে হেঁকে যাওয়া সব্জীবালার আর্ত চিৎকার গুঞ্জিত হতে থাকে । হে সুনেহেরা জ্যোৎস্নাময়ী রাত , একবার দ্যাখো প্রকৃত সন্ধ্যার আগেই কারা যেন গলিপথে ঢলে পড়ে মৃত্যুর কবলে ।