রুট-৪

রুট-৪

সেইমতো
জিজ্ঞাসা আমার মুখ ঢাকে 
মুখের উপরে লেপটে থাকা পরিযায়ী 

ঘন শিয়াকুলের কাটায়
স্মৃতিসরণীর নবতর গাঁ ফুটে আছে
ঝাটিবাবলার বনে যেখানে ফুটেছে হরিৎশাহি
পশ্চাৎ ফিরে ওই যমুনার চলে যাওয়া দেখে
হুমায়ুনের সমাধীপরে ডেকে ওঠে একক ময়না 
  
ঠিক যেভাবে,  
স্রোতের বিপরীতে জিজ্ঞাসা রেখেছে  দূর জলঙ্গী
ধবলীর সাবালক বাছুর বোধহয় এতদিনে 
মুখ দিয়েছে সাহাদাত মিঁয়ার ধানে
ফেলে আসা কানাচে বেড়ে ওঠা ঘোড়সলতার দীর্ঘ
ডুমুরের নীচে অচেনাগুল্মের শৈশব এলোমেলো
সেও এক জিজ্ঞাসা শর্করা নিয়ে 
যারা প্রশ্ন রেখেছিলো
সে রাত ছিল আর একটা ছায়াপথের রাত 

জিজ্ঞাসা আমায় ভূগোল দিয়েছে    
আজ আমি যে কোন মদিরাই খেতে পারি
যার সুক্রোজে কোন রুট লেখা নেই 
আজ গম্বুজের উপরে পঞ্চমীর চাঁদ ডুবে গেলে 
আমি মাতাল হেঁটে যাবো

ঘুমাবো না, 
ঠিকানা আমাকে ঘুমাতে দেয় না
ঠিকানা কেন যে আমায় জিজ্ঞাসা করে 
আমার আঙিনায় সে রাতে সজিনার ফুল ঝরেছিলো কিনা 



ইন্টারেকশন